প্রথম গ্রুপ সেক্সের মজা



আমি একজন খুব কামুকি মেয়ে, আর স্কুলে পরবার সময় থেকেই ছেলেদের হাতের স্পর্শে আমি খুব আরাম পেতাম আর এই কারনে স্কুলে থাকাকালীন যখন আমি খুব গরম হয়ে যেতাম আমার একজন ছেলে বন্ধু প্যানটির ভিতরে হাত ঢুকিয়ে যতক্ষন পর্যন্ত না আমি যৌনতার চরম সীমাতে  পৌঁচ্ছচ্ছি ততক্ষন পর্যন্ত হয় প্যানটির ভিতরে হাত ঢুকিয়ে গুদের উপর থেকে টানা হাত বুলিয়ে যেতো বা ঘসে যেতো অথবা আমি প্যানটি নামিয়ে দিতাম আর ও গুদে কিস করতে থাকতো ।

হাসপাতালে সীমাহীন আনন্দ

আমার প্রিয় পাঠক বন্ধুরা, আমি জয়ন্তী কলকাতাতে একটি বেসরকারী হাসপাতালে বছর খানেক হলো নার্সের কাজ করি, আমার বয়স ২৫ বছর , হুগলিতে থাকিবয়স তাড়াতাড়ি বেড়ে যাচ্ছিল বলে আমার বাড়ির লোকজন আমার বিয়ের জন্য খুব ব্যস্ত হয়ে উঠেছে! আজ আমি তোমাদের যে ঘটনাটি বলব সেটি আমার চাকরি জীবনের দ্বিতীয় দিনই ঘটেছিল আর সেই ঘটনাটাই আজ আমি তোমাদের বলবো!

স্বামীর বন্ধুর সাথে প্রথম ব্যাভিচার



হ্যাল্লো আমার প্রিয় পাঠকেরা, আমার নাম স্বপ্না, ৩১ বছর বয়স, বিবাহিতা,আমার বরের নাম সঞ্জয় রায়, কলকাতার এক অভিজাত অঞ্চলে বসবাস করি, আর আমাকে কেমন দেখতে? লোকে বলে, আমার রূপ যৌবনের কাছে হিন্দী সিনেমার হিরোয়িন মল্লিকা সেরাওয়াত হার মেনে যাবে, আমাদের বিবাহিত ও যৌন জীবন খুব সুখের ছিল এবং আমি বিশ্বাস করতাম যে বিবাহিতা মেয়েদের যৌন জীবনে একজন পুরুষের উপস্থিতি যথেষ্ট,কিন্তু কোনো এক ঘটনা আমার এই মানসিকতাকে একেবারে বদলে দেয়, আজ আমি তোমাদের সেই ঘটনাটাই বলতে এসেছি ! 

পারুলের যৌবন

দোতলার সিঁড়িতে একটিমাত্র পা নামিয়েছেন অশোক বাবু , সঙ্গে সঙ্গে তার মনে পড়লো মেয়ের কথা। তিনি আবার পা তুললেন, নিচে নামলেন না। তাঁকে থামতে দেখে পেছনের দলটাও থেমে গেছে। অজয় , অজয়ের বৌ রানী এবং তাদের পাঁচ বছরের ছেলে রাজু।
অশোক বাবু রানীর দিকে তাকালেন। দিন যতই যাচ্ছে মেয়েটার বুকের লাউদুটোর সাইজ ততই বাড়ছে। ছেলের বৌয়ের দিকে আর যাই হোক, কু দৃষ্টিতে তাকানো যায় না। কিন্তু যে হারে বৌমার বুকের দুধজোড়া মৈনাক পর্বতের আকার ধারণ করছে, চোখ ফিরিয়ে নেওয়াও মুস্কিল। 


অসহায় মহিলার আত্মসমর্পণ

হ্যালো বন্ধুরা, আমি একজন চল্লিশ বছর বয়স্কা নারী , নাম সোনালী, আমার শারীরিক গঠন হলো ৪০-২৮-৩৮, এই সাইট-এ এটাই আমার জীবনের প্রথম দুঃখের কাহিনী, যেহেতু আমি একজন লেখিকা নই তাই হয়তো আমার লেখাতে কিছু ভুল থাকলেও থাকতে পারে, দয়া করে আপনারা নিজ গুনে সেগুলি ক্ষমা করে দেবেন,

আসলে এই সাইট-এ এরকম প্রচুর নিজস্ব অভিজ্ঞতা পরার পরেই আমার-ও ইচ্ছে হলো যে, আমার জীবনের যে করুন কাহিনী আছে সে গুলি কেন আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নেবনা, কারণ আমি শুনেছি, দুঃখ যদি ভাগ করে নেওয়া যায় তাহলে হয়তো তার কষ্টের ভাগ কিছুটা হলেও কমে যায়, তাই আজ আমি আপনাদের সাথে সেই কাহিনীগুলি ভাগ করতে এসেছি।

শালার বিয়ের রাতে শালির গাঁড়ে আমার বাঁড়া - সম্পূর্ণ উত্তেজনাময় কাহিনী

আমি রানা, ৩৫ বছরের এক ব্যবসায়ী, পরিবার নিয়ে আমার মেজ শালার বিয়ে উপলক্ষে শ্বশুরবাড়িতে গেছি, আসলে শ্বশুরবাড়ির প্রতি আমার একটা আলাদা  টান আছে, আর সেই টানটা হলো আমার একমাত্র বিবাহিতা শালী পারমিতা যার বয়স ২৮ বছর, ওকে যে আমার কি ভালো লাগে তোমরা কল্পনাও করতে পারবে না, ওর কথাবার্তা, ওর চালচলন, ওর সেক্সি ফিগার আর ওর বড় পাছাওয়ালা গাঁড়, সে যে কি গাঁড় তোমরা ভাবতেও পারবে না, আমার দিকে পেছন ফিরে ও যখন হেঁটে কথাও চলে যেত, আমি.....আমি........শুধু ওর দুলন্ত পাছা দুটির দিকেই তাকিয়ে থাকতাম, চোখ ফেরাতে পারতাম না,

পাশের বাড়ির বৌদির পেটের বাচ্চাটা কার র র র - সম্পূর্ণ উত্তেজনাময় কাহিনী



আমি রাহুল, ১৯ বছর বয়স, আসলে আমি একটু মুখচোরা ধরনের ছেলে, বেশী কথা বলতে ভালো লাগে না তাই পাড়াতে আমার বেশ সুনাম আছে, পাড়া প্রতিবেশীরা বলে আমি নাকি খুব ভালো ছেলে,আমার মতো ভালো ছেলে খুব একটা দেখাই যায় না, এই রকম আরকি। আর আমার পাশের বাড়ির মৌসুমি বৌদি, রাহুল বলতে একেবারে অজ্ঞান, আমার মা কে এসে মাঝে মাঝেই বলতো "মাসীমা দারুন মানুষ করেছেন ছেলেকে, এতো শান্ত, ভদ্র, মিষ্টি ছেলে আমি কোথাও দেখিনি" আর আমি যখন চুপচাপ ওদের কথা শুনতাম তখন মনে মনে ভাবতাম, উফ বৌদি আমি যে কি চিজ, আমার মনেতে তোমাকে নিয়ে যে কি চলে তা যদি তুমি একবার জানতে গো,

শেফালির দেহভোগ - সম্পূর্ণ উত্তেজনাময় কাহিনী


মাঝে মাঝে আমিও ভাবি ইস শেফালিকে আমিও যদি করতে পারতাম| বিছানায় সারা রত্রি ধরে| ওর এত রসে ভরা শরীর| টগবগ করে ফুটছে যৌবন| শরীরতো নয় যেন যৌনতার খনি| আমারও কি ইচ্ছে হয় না শেফালির শরীরটাকে উদোম নগ্ন করে ওর উপর নিজের কামনার রস ঝড়াতে| শেফালি আমাকে বোঝে না, আমাকে বুঝতে চায় না| কেন বুঝি না| ও শুধু পয়সাওয়ালা লোকগুলোর ক্ষিধে মেটায়| গাড়ী চড়ে আসে| একতোড়া নোটের বান্ডিল উপহার দেয় শেফালিকে| শেফালি তাতেই খুশী| ঝড়ের গতিতে ওকে বিবস্ত্র করে, তারপর ওর শরীরের উপর তান্ডব শুরু করে| লোকগুলো শেফালির বুক চুষে চুষে খায়| সারা রাত্রি ধরে করে| তারপর যৌনলীলা সাঙ্গ হলে ভোর হতেই গাড়ী চড়ে ফিরে যায়| 

বউ থেকে বেশ্যা - সম্পূর্ণ উত্তেজনাময় কাহিনী


এই ঘটনাটি আমার স্ত্রী জয়াকে নিয়ে। উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসা জয়ার সাথে আমার আজ থেকে প্রায় পাঁচ বছর আগে বিয়ে হয় এবং এখনো অবধি আমাদের বিবাহিত ও যৌন জীবন খুবই সুখদায়ক, আসলে আমার স্ত্রীর শারীরিক গঠন খুবই সুন্দর, উচ্চতা পাঁচ ফুঠ দুই ইঞ্চি, ফর্সা, স্তনের সাইজ ৩৬ আর পাছার ৩৮ এবং জয়ার দিকে যে কেউ একবার তাকালে চোখ ফেরাতে পারে না, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে জয়ার সঙ্গে চলা আমার সুখী যৌন জীবন আস্তে আস্তে একঘেয়ে হতে লাগে এবং আমার যৌনপল্লীতে যাওয়া আসা শুরু হয়। আসলে আমি যৌনতা খুব পছন্দ করি এবং আমি প্রায় প্রত্যেকদিনই বিভিন্ন বেশ্যার সাথে বিভিন্ন ভাবে শারীরিক মিলিত হতে থাকি এবং কখনোতো তাদের পোঁদও মারতে থাকি।